বিশ্বকাপজয়ী ক্রিকেটারের বাবা যখন ডাকাতির শিকার
July 18, 2017 Ice COOL
১৮ জুলাই ২০১৭
ক্রিকেট ছেড়ে যোগীন্দর এখন পুলিশের পুরোদস্তুর চাকুরে। হরিয়ানার রোঠাকে তাঁর বাবা ওম প্রকাশ শর্মার দোকানই কিনা শিকার হয়েছে লুটপাটের। দোকানের মধ্যেই যোগীন্দরের বাবাকে ছুরি মেরে মালপত্র লুট করে ডাকাতেরা।
ঘটনার পরে যোগীন্দর এ ব্যাপারে একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন। সেখানে বলা হয়, দুজন যুবক এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত। এরা প্রথমে প্রকাশ শর্মার দোকান থেকে সিগারেট ও কোমল পানীয় কেনে। এরপর তারা দোকানের ক্যাশবাক্স লুট করার চেষ্টা করে। প্রকাশ শর্মা বাধা দিলে দুজনের একজন তাঁকে ছুরি মারার চেষ্টা করে।
ভয়াবহ এ ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই মানসিকভাবে মুষড়ে পড়েছে যোগীন্দরের পরিবার। যোগীন্দরের ছোট ভাই দীপক সিং হিন্দুস্তান টাইমসকে জানিয়েছেন, ছুরিতে বাবার হাত কেটেছে। এক যুবক ছুরি মারার চেষ্টা করলে তিনি হাত দিয়ে ছুরিটা চেপে ধরেন। তাঁকে অবশ্য হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
২০০৭ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনাল ওভারটি যোগীন্দর করেছিলেন স্নায়ুর ওপর দারুণ নিয়ন্ত্রণ রেখেই। ওভারের শুরুতেই ছক্কা খেলেও নিজেকে সামলে বেশ ভালো বল করেন তিনি। তাঁর বলে স্কুপ করতে গিয়েই আউট হন পাকিস্তানের মিসবাহ-উল-হক। হারের প্রান্তসীমা থেকে ফিরে ১ রানে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতে নেয় ভারত। সূত্র: ডেকান ক্রনিকেল।
ঘটনার পরে যোগীন্দর এ ব্যাপারে একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন। সেখানে বলা হয়, দুজন যুবক এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত। এরা প্রথমে প্রকাশ শর্মার দোকান থেকে সিগারেট ও কোমল পানীয় কেনে। এরপর তারা দোকানের ক্যাশবাক্স লুট করার চেষ্টা করে। প্রকাশ শর্মা বাধা দিলে দুজনের একজন তাঁকে ছুরি মারার চেষ্টা করে।
ভয়াবহ এ ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই মানসিকভাবে মুষড়ে পড়েছে যোগীন্দরের পরিবার। যোগীন্দরের ছোট ভাই দীপক সিং হিন্দুস্তান টাইমসকে জানিয়েছেন, ছুরিতে বাবার হাত কেটেছে। এক যুবক ছুরি মারার চেষ্টা করলে তিনি হাত দিয়ে ছুরিটা চেপে ধরেন। তাঁকে অবশ্য হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
২০০৭ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনাল ওভারটি যোগীন্দর করেছিলেন স্নায়ুর ওপর দারুণ নিয়ন্ত্রণ রেখেই। ওভারের শুরুতেই ছক্কা খেলেও নিজেকে সামলে বেশ ভালো বল করেন তিনি। তাঁর বলে স্কুপ করতে গিয়েই আউট হন পাকিস্তানের মিসবাহ-উল-হক। হারের প্রান্তসীমা থেকে ফিরে ১ রানে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতে নেয় ভারত। সূত্র: ডেকান ক্রনিকেল।
আরও সংবাদ

0 comments:
Post a Comment