July 15, 2017 Ice COOL
এ বছরের ১৩ জুন রাঙামাটিতে ভয়াবহ পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় শুধু রাঙামাটিতেই শতাধিক লোক প্রাণ হারান। মাটির নিচে চাপা পড়া মৃতদেহ উদ্ধারের কাজ করেন ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের কর্মীরা। ছবিটি ১৪ জুন রাঙামাটির রাঙাপানি এলাকা থেকে তোলা। ছবি: সুপ্রিয় চাকমা
পাহাড়ধসে স্বজনদের হারিয়েছেন মো. আবদুর রশিদ। তাঁর বাড়িটি ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। ছবিটি গত মঙ্গলবার রাঙামাটির কাউখালী উপজেলার কাশখালি ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড কাশখালি গ্রাম থেকে তোলা। ছবি: সুপ্রিয় চাকমা
রাঙামাটিতে পাহাড়ধসের ঘটনায় শতাধিক লোক প্রাণ হারান। অসংখ্য মানুষ হন গৃহহীন। পাহাড়ধসের পরের দিন ১৪ জুন অবশিষ্ট সম্বল নিয়ে আশ্রয়কেন্দ্রে ছুটছেন একজন। ছবিটি রাঙামাটি শহরের কিনামনি ঘোনা থেকে তোলা। ছবি: সুপ্রিয় চাকমা
১৩ জুনের পাহাড়ধসে মাটি চাপা পড়ে মো. আবদুর রশিদের বাড়িটি। এই ঘটনায় নিহত হন তাঁর স্ত্রীসহ তিনজন। মো. আবদুর রশিদ আহত হন। ছবিটি গত মঙ্গলবার রাঙামাটির কাউখালী উপজেলার কাশখালি ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড কাশখালি গ্রাম থেকে তোলা। ছবি: সুপ্রিয় চাকমা
১৩ জুন রাঙামাটিতে ভয়াবহ পাহাড়ধসের এক মাস পরও প্রাণহীন অবস্থা। রাঙামাটি শহরের কিনামনি ঘোনায় সেদিন ভয়াবহ পাহাড়ধসে নিহত হয়েছেন ছয়জন। ছবিটি কিনামনি ঘোনা থেকে বুধবার সকালে তোলা। ছবি: সুপ্রিয় চাকমা
এক মাস আগে পাহাড়ধসে মাটিচাপা পড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয় রাঙামাটির বেতবুনিয়া বাজার দক্ষিণপাড়া এলাকার ফরিদা বেগমের বাড়ি। এখন বেঁচে ওঠার লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি। ছবি: সুপ্রিয় চাকমা
আনুমা ও ওয়াইচিং মারমা দুই বোন। গত ১৩ জুন রাঙামাটিতে পাহাড়ধসে তাদের বাবা-মা, ছোট বোন ও ভাই মারা যান। এখন তাদের সামনে শুধুই অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ। কাউখালী উপজেলার রাউজান ঘোনায় তাদের বাড়ির ধ্বংসস্তূপ থেকে ছবিটি গত মঙ্গলবার দুপুরে তোলা। ছবি: সুপ্রিয় চাকমা
রাঙামাটির ভেদভেদী পৌর উচ্চ বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী লতিকা চাকমা। রাঙামাটিতে পাহাড় ধসের ঘটনায় সে তার মা ও ছোট বোনকে হারিয়েছে। লতিকার এখন আশ্রয়কেন্দ্রে আছে। সেখানে থেকেই চালিয়ে যাচ্ছে পড়ালেখা। ছবিটি ভেদভেদী পৌর উচ্চ বিদ্যালয় আশ্রয়কেন্দ্র থেকে গতকাল বুধবার তোলা। ছবি: সুপ্রিয় চাকমা
0 comments:
Post a Comment